ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি পূর্ণ বাস্তবায়নের আন্দোলন জোরদার করার লক্ষ্যে ছাত্র-যুব সমাজ সোচ্চার হোন
পার্বত্য চট্টগ্রামের ভিন্ন ভাষাভাষি চৌদ্দটি জাতিসত্বার ছাত্র সমাজের প্রতিনিধিত্বকারী লড়াকু ছাত্র সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ আগামী ২০শে মে ২০২০, ৩১ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে যাচ্ছে।
আজ থেকে ঠিক ৩১ বৎসর পূর্বে ১৯৮৯ সালের ২০শে মে লংগুদু গণহত্যার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে গড়ে উঠে পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ।২১শে মে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাকার রাজপথে একটি মৌন মিছিলের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ ঘটে এ ছাত্র সংগঠনের। প্রতিষ্ঠার পর হতে জুম্ম ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি জুম্ম জনগণের আত্ম্নিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠা তথা জুম্ম জাতীয় অস্তিত্ব ও জন্মভূমিরর অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামেও গৌরব্বোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করে আসছে এই প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পর পর বিভেদপন্থীদের কর্তৃক আমরা হারিয়েছি সুদীর্ঘ,জীবন,গুনেন্দু,সুখেনসহ উদয়ীমান বহু তরুন ছাত্র নেতাকে।
বিগত ২০১৮ সালের ০৩মার্চ, বিভেদপন্থি সন্ত্রাসীদের কর্তৃক পিসিজেএসএস এম এন লারমা কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি,নানিয়াচর উপজেলা চেয়্যারমান এ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমাকে উপজেলা পরিষদের অফিসের সামনে গুলি করে হত্যা করা হয় এবং তার সাথে থাকা রুপম চাকমা গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয় ।
০৪মার্চ ২০১৮, তারিখে শক্তিমান চাকমার দাহক্রিয়া অনুষ্ঠানে যোগ দিতে খাগড়াছড়ি থেকে যাওয়া চলন্ত গাড়ীতে হামলা চালানো হয়,এতে তপন জ্যোতি চাকমা,সুজন চাকমা,সেতু চাকমা ও গাড়ী ড্রাইভারসহ ৫ জন নিহত হন এবং আরও ৬ জন গুরুতর আহত হন।
গত ৩১ বছরে অনেক বীর সাহসী সহযোদ্ধা আন্দোলন-সংগ্রামে সামিল হয়ে জেল-জুলুম,অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছেন,পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন,তাদের জীবন আত্মহুতি দিয়েছেন। তাদের এই মহান আত্মত্যাগকে আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।
সাথে সাথে সংগঠনের ৩১ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জুম্ম ছাত্র-ছাত্রী,পার্বত্যবাসীসহ দেশবাসীকে জানাই লাল সালাম ও শুভেচ্ছা।
জন্মলগ্ন থেকে পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ পার্বত্য চট্টগ্রামে একটি স্বাধীন ছাত্র সংগঠন হিসেবে পরিচিতি লাভ করে আসছে।
বাংলাদেশের অন্যান্য এলাকা থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক।
নিজ ভূমি বহিরাগত সেটেলার বেদখল করছে,ঘর-বাড়ি হারা উদ্বাস্তু জীবন-যাপন,ভাই বা পিতা সেটেলার ও নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে নির্যাতনে নিহত বা পঙ্গু,মা কিংবা বোন ধর্ষিত ও ধর্ষণের পর হত্যার শিকার।মাঠে-ঘাটে এমনকি অফিস-আদালতেও সাম্প্রদায়িকতা ও বঞ্চনার শিকার হয়ে চলেছেন,এমন বাস্তবতায় একজন সচেতন ছাত্র চুপ করে শুধু লেখা-পড়া নিয়ে বসে থাকতে পারেনা।এমন বাস্তবতায় মূল সমস্যাকে পাশ কাটিয়ে শুধু শিক্ষা লাভ করবো,এটা একজন দেশপ্রেম সচেতন ছাত্রের জন্য আত্ম হত্যার সামিল।
তাই এহেন পরিস্থিতি ও বাস্তবতানুযায়ী পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ শিক্ষা সংক্রান্ত দাবি-দাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে রাজনৈতিক দাবিও করে আসছে।
রাজনৈতিকভাবে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা,পরামর্শ ও সিদ্বান্ত প্রদানে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিই এই ছাত্র সংগঠনের অবিভাবক সংগঠন।
জাতীয় ও জন্মভূমির অস্তিত্ব সংরক্ষণের তাগিদে মহান নেতা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার নেতৃত্বে ১৯৭২ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি গঠিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি।গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথ রুদ্ধ হলে শান্তিবাহিনীর উদ্ভব ও সশস্ত্র আন্দোলনের সূচনা হয়।পাহাড়ের সকল জুম্ম তরুণেরা অংশ নেয় জনসংহতি সমিতির এ সংগ্রামে।
সেই ৭০-৮০ দশকের স্বপ্নবিলাসী জুম্ম তরুণদের মত এখনকার জুম্ম তরুনদেরও উচিত আন্দোলনে নিজেদের এগিয়ে আসা।
পৃথিবীর ইতিহাসে যেখানেই সংগ্রাম-বিপ্লব সংগঠিত হয়েছিল সেখানেই প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর উদ্ভব হয়েছিল।পাহাড়ের আন্দোলনের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়।সেসব প্রতিক্রিয়াশীল দালালদের হাতেই জুম্মজাতির স্বপ্নদ্রষ্টা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা ১৯৮৩সালের ১০ই নভেম্বর ৮ সহযোদ্ধাসহ নির্মমভাবে খুন হন।সেই প্রতিক্রিয়াশীল প্রীতিগ্রুপকে কঠিন হস্তে দমনের মধ্যে দিয়ে পুনরায় সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে বাধ্য করা হয় ১৯৯৭সালের ২রা ডিসেম্বর চুক্তি স্বাক্ষরের।
দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রে ৯৮'সালে প্রসিত-রবিশংকররা চুক্তির বিরোধীতা করে গড়ে তোলে ইউপিডিএফ নামক সশস্ত্র সংগঠন প্রতিষ্ঠার পর হতে অস্ত্র সমর্পন করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা শান্তিবাহিনীদের উপর শুরু করে হত্যা-অপহরণ।পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জনগনকে নতুন একটি গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যায়।
২০০৭-২০০৮ এর সময়ে সন্তু লারমার একঘেয়েমি,সেচ্ছাচারিতা,স্বজনপ্রীতিবাদ,অর্থলোভের কারণে জনসংহতি সমিতি আবার বিভক্ত হয়ে পড়ে।
পাহাড়ের বুকে জুম্মজনগনের উপর নেমে আসে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত নামের কালো ছায়া।যা আজো চলমান রয়েছে।
দীর্ঘ দুই যুগের অধিক সশস্ত্র সংগ্রামের পর ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও,সে সময়ে বাংলাদেশ সরকার সাড়ে তিন বৎসর সময় পেয়েও পর্যাপ্ত সময় পায়নি এই অজুহাতে চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করেনি। এরপর বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকার চুক্তি বাস্তবায়নের তো দুরের কথা বরং পদে পদে চুক্তি লঙ্ঘন করে পার্বত্য এলাকায় বহিরাগত পুনর্বাসন,ভূমি বেদখল ও নিজ ভূমি হতে জুম্মদের উচ্ছেদসহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করে পাঁচ বছর সময় পার করে।তারপর ফখরুদ্দীনের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার দুই বছর সময়ে চুক্তি বাস্তবায়নের কোন ভূমিকা পালন করেনি।
পরবর্তী দীর্ঘ সাত বৎসর পর ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় বসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্ত্বাধীন মহাজোট সরকার।তখন তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ ছিল ক্ষমতায় গেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করবে।
কিন্তু দীর্ঘ পাঁচ বছর ক্ষমতায় থেকে তারা চুক্তি বাস্তবায়নে আন্তরিকতা দেখায়নি,চুক্তির আংশিক বিষয় ছাড়া সবগুলো বাস্তবায়িত হয়েছে,চুক্তি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে-এই বলে অপপ্রচার চালিয়ে পাঁচ বছর সময় পার করে।কিন্তু প্রকৃতপক্ষে চুক্তি বাস্তবায়নের নামে পার্বত্য জেলা পরিষদ,পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন দপ্তরে সিলেকশনের মাধ্যমে দলীয় নেতাদের পুনর্বাসন,পার্বত্য চট্টগ্রামে বহিরাগত সেটেলার কতৃক জুম্মদের ভূমি জবরদখল ও তাদের পুনর্বাসন,পাহাড়ী-বাঙ্গালী সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছাড়া জুম্ম জনগণকে কিছুই দেয়নি।
বিগত ২০১১ সালের ৩০ জুন সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর ২৩(ক)অনুচ্ছেদে"উপজাতি,ক্ষুদ্র জাতিসত্তা,নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়"সংযোজন এবং ৬(২)অনুচ্ছেদে "বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন"প্রতিস্থাপন করে সংবিধান পাশ করে।কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জনগণের প্রাণের দাবি পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সমতলে বসবাসরত আদিবাসী জাতিসমূহকে সংবিধানে আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা।একদিকে শাসক গোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সমতলে বসবাসরত আদিবাসী জাতিসমূহকে সংবিধানে"উপজাতি,ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বা,নৃ-গোষ্ঠি ও সম্প্রদায়"আখ্যা ও বাঙালি বানানো,অন্যদিকে আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি না দিয়ে জুম্ম জনগণের অস্তিত্ব এবং সমতলের আদিবাসীদের অস্তিত্বকে অস্বীকার করেছেন।পার্বত্য চুক্তি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করে তাদের জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষা ব্যবস্থা করা না হলে কাগজে কলমে যতই কল্যাণ-সাফল্য ও মঙ্গল-কামনা করা হোক না কেন তা নির্দয় প্রহসন ছাড়া আর কিছুই না।
২০১৪ সালের নির্বাচনে আবার মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে বিগত ২০১৬ সালের ০১ আগস্ট প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ভেটিং সাপেক্ষে "পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পিত্তি কমিশন(সংশোধন)আইন,২০১৬"-এর খসড়ার নীতিগতভাবে অনুমোদন ও ০৯ আগস্ট তা অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
এরপর একই বছরের ০৬অক্টোবর তা জাতীয় সংসদে পাশ হয়।পরবর্তীতে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ২০১৬ সালের ০৮সেপ্টেম্বর ক্ষতিগ্রস্তদের ৪৫দিনের মধ্যে আবেদন চেয়ে জারি করা গণ বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে প্রায় ১৪,৮০০টি আবেদনপত্র জমা পড়ে।সর্বশেষ ১০জানুয়ারি ২০১৭ পর্যন্ত মোট ২২,৮৬৬টি আবেদন কমিশনে জমা পড়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে।এর আগে বিচারপতি খাদেমুল ইসলামের মেয়াদে প্রায় ৪ হাজার ৪০৮টি আবেদনপত্র কমিশনে জমা পড়ে।সংশোধনীর পরবর্তী পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি কমিশনের এ যাবৎ তিনটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন কতৃক পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া শুরু করাসহ পার্বত্য জেলা পরিষদসমূহে কিছু দপ্তর হস্তান্তর করা ব্যতীত চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের কোন উদ্যোগ নেই বললেই চলে।
বিগত ২০১৯ সালের ২রা ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২২ বছর পূর্তি হয়ে গেল।
এই ২২ বছরে পার্বত্য চুক্তিকে পাশ কাটিয়ে উন্নয়নের নামে জুম্ম স্বার্থবিরোধী বিভিন্ন সরকারী পদক্ষেপগুলো পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে এবং জুম্ম জনগণের জন্য কোন সুফল বয়ে আনতে পারেনি।
সকলকে মনে রাখতে হবে যে,পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি এমনিতেই স্বাক্ষরিত হয়নি।
বহু ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এই পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি।
পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যাকে একটি জাতীয় ও রাজনৈতিক সমস্যা হিসেবে স্বীকার করেই তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে এই ঐতিহাসিক পার্বত্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।ফলে দীর্ঘ দুই যুগের অধিক সশস্ত্র সংগ্রামের পথ পরিহার করে নিয়মতান্ত্রিকভাবে আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করার পথ সৃষ্টি হয়।
কাজেই পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার সমাধান,পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ীভাবে শান্তি ও উন্নয়নের লক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প থাকতে পারেনা।
আমরা এমন এক সময়ে সংগঠনের ৩১ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে যাচ্ছি যখন বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু,জাতিগত সংখ্যালঘু,ভাষাগত সংখ্যালঘু ও আদিবাসীদের উপর সহিংসতা বেড়েই চলেছে।বাংলাদেশে সংখ্যালঘুসহ পার্বত্য এলাকার জুম্ম জনগণও হিংস্র ও মারাত্বক আক্রমণের শিকার হচ্ছে।
এহেন পরিস্থিতিতে জুম্ম জাতীয় ও জন্মভূমির অস্তিত্ব রক্ষায় আত্ননিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ (এমএন লারমা'র) আদর্শে উজ্জীবিত প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের পতাকাতলে ছাত্র ও যুব সমাজ ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
১৮/০৫/২০২০ইং
লেখকঃ সুনয় চাকমা
সভাপতি,পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ,পানছড়ি থানা শাখা।







0 comments:
Post a Comment